ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হলে করণীয়
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়
- বর্ষায় (এপ্রিল-অক্টোবর) ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। এসময় অধিক সতর্ক থাকুন।
- ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা পরিষ্কার পানিতে বংশ বিস্তার করে।
- অফিস, ঘর ও আশেপাশে পানি জমতে দিবেন না।
- যেকোনো পাত্রে জমিয়ে রাখা/জমে থাকা পানি ৩ দিনের মধ্যে পরিবর্তন করুন।
- এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায়।
- যথাসম্ভব লম্বা পোশাক পরিধান করুন।
- দিনে ঘুমানোর ক্ষেত্রেও মশারি ব্যবহার করুন।
ডেঙ্গু প্রতিকারে করণীয়
- তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা ও মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীরে লালচে দানা
ইত্যাদি ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ হলেও সম্প্রতিকালে এর ব্যতিক্রম পাওয়া যাচ্ছে।
- জ্বরে প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য ব্যথানাশক ঔষধ খাওয়া
থেকে বিরত থাকুন। রোগীকে বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়ান।
- জ্বর হলে নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ
করুন ও ডেঙ্গু জ্বরর পরীক্ষা করুন।
- জ্বর ভালো হওয়ার পরও ডেঙ্গুজনিত মারাত্মক জটিলতা দেখা
দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন ও হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
কখন হাসপাতালে ভর্তি হবেন
- প্রচন্ড পেট ব্যথা ও অত্যাধিক পানি পিপাসা থাকলে।
- ঘনঘন বমি বা বমি বন্ধ না হলে। রক্তবমি বা কালো পায়খানা হলে।
- দাঁতের মাড়ি বা নাক থেকে রক্তপাত হলে। ৬ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে প্রস্রাব না হলে।
- প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হলে। * ডায়রিয়া হলে ও অত্যাধিক শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করলে।
- গর্ভবর্তী মা, নবজাতক শিশু, বয়স্ক রোগী, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ থাকলে।
- শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কমে গেলে (শরীর অস্বাভাবিক ঠান্ডা হয়ে গেলে)
কখন এবং কিভাবে বাড়িতে চিকিৎসা নিবেন
- মুখে পর্যাপ্ত তরল খাবার খেতে পারলে।
- প্রতি ৬ ঘণ্টায় অন্তত: ১ বার প্রস্রাব হলে।
- এসময় পূর্ণ বিশ্রামে থাকুন।
- স্বাভাবিক খাবারের সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণযুক্ত
তরল যাবার যেমন: খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি,
ফলের রস, স্যুপ ইত্যাদি খেতে থাকুন।
- ডেঙ্গু জ্বরে প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য কোনো ব্যথার ওষুধ সেবন করবেন না। (পূর্ণবয়স্কদের জ্বর/ব্যথাজনিত কারণে সর্বোচ্চ দৈনিক ৩ গ্রাম বা ৫০০ মিলিগ্রাম এর ৬টি ট্যাবলেট এবং শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
জ্বর কমাতে কুসুম গরম পানি দিয়ে সারা শরীর মুছে ফেলুন।

কোন মন্তব্য নেই
কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ