পৃষ্ঠা

সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪

“অধিকার নিশ্চিত হলে, HIV / AIDS যাবে চলে”

 অধিকার নিশ্চিত হলে, HIV / AIDS যাবে চলে

 

Image

HIV- Human Immuno deficiency Virus; AIDS- Acquired Immuno Deficiency Syndrome

আজ বিশ্ব এইডস (AIDS) দিবস। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বছরের লা ডিসেম্বর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য স্লগান হল অধিকার নিশ্চিত হলে, এইচআইভি/এইডস যাবে চলে

২০২৩ইং সালের নভেম্বর থেকে চলতি ২০২৪ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ,৪৩৮ জন নতুন করে এইডসে আক্রান্ত হয়েছেন। ২০২৪ইং  এইডসে মারা গেছেন ১৯৫ জন। বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে প্রথম এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এবার এইডসে আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ পরিমানে দাঁড়িয়েছে 

ক্রম

বিবরণ

হইতে

পর্যন্ত

আক্রান্ত সংখ্যা

তুলনা মুলক

মৃত্যুর সংখ্যা

এইড আক্রান্ত

২০২২

২০২৩

১,২৭৬

 

২৬৬

এইড আক্রান্ত

২০২৩

২০২৪

১,৪৩৮

১৬২

১৯৫


তথ্যটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় যক্ষ্মা, কুষ্ঠ এইডস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির। দিবসটি উপলক্ষে আজ দেশের এইডসসংক্রান্ত নানা পরিসংখ্যান তুলে ধরবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর অর্থাৎ (২০২২-২০২৩) আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ,২৭৬ জন সে অনুযায়ী, চলতি বছর ১৬২ জন রোগী বেড়েছে। চলতি বছর নতুন ভাবে আক্রান্তদের মধ্যে ৬৩ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৯ বছর। আর ২১ শতাংশের বয়স ২০ থেকে ২৪ বছর। গত বছর এই তরুণ বা ১৯ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের সংখ্যা ছিল ১৬ শতাংশ। বছর মোট আক্রান্তের মধ্যে ১০ শতাংশ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। গত বছর হার ছিল ১২ শতাংশ। মোট সংক্রমণের শতাংশ হিজড়া। গত বছরও তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার এমনই অপরিবর্তিত ছিল।

বয়স ভিত্তিতে যে হার পরিলক্ষিত হয় তা হল-

ক্রম

বিবরণ

সাল

বছর থেকে

বছর পর্যন্ত

হাড়/শতাংশ

এইড আক্রান্ত

২০২৪

২৫

৪৯

৬৩

এইড আক্রান্ত

 

২০

২৪

২১

এইড আক্রান্ত

২০২৩

১৯

২৪

১৬


এদেশে পিছিয়ে পরা জনগণের মাঝেও এ রোগ পরিলক্ষিত হয়।

ক্রম

বিবরণ

সাল

শতকরা

পিছিয়ে পরা জনগ

 

এইড আক্রান্ত

২০২৪

১০

রহিঙ্গা

 

এইড আক্রান্ত

২০২৪

হিজরা

 

এইড আক্রান্ত

২০২৩

১২

রহিঙ্গা

 

এইড আক্রান্ত

২০২৩

হিজরা

 

 

দেশের ৩ জনপদের জনগনের মধ্যে যে ভাবে এইডস ছড়িয়েছে

ক্রম

বিবরণ

সাল

শতকরা

জনপদ

 

এইড আক্রান্ত

২০২৪

৫৫

বিবাহিত

 

এইড আক্রান্ত

২০২৪

৪০

অবিবাহিত

 

এইড আক্রান্ত

২০২৩

৬০

বিবাহিত

 

এইড আক্রান্ত

২০২৩

৩১

অবিবাহিত

 

এইড আক্রান্ত

২০২৪

তালাক প্রাপ্ত

 

 

মৃত্যুর সংখ্যা কমে গেলেও তা এখনো শঙ্কাজনক পর্যায়ে আছে বলেই মনে করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য নজরুল ইসলাম।

নজরুল ইসলাম বলেন, “এখন এইচআইভির চিকিৎসার ব্যবস্থা যথেষ্ট উন্নত। তারপরও এত মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। মৃত্যুর কারণ হতে পারে নিয়মিত এবং যথাযথ চিকিৎসা নিচ্ছেন না আক্রান্ত ব্যক্তিরা। আবার যেসব ওষুধ দেওয়া হচ্ছে, তা প্রতিরোধী হয়ে উঠছে কি না, সে বিষয়েও নজর দেওয়া দরকার।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ