পৃষ্ঠা

মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪

এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে এ কেমন ধারনা আপনার? পর্ব -০১

 

এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে এ কেমন ধারনা আপনার?



Image

এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে ধারনা পেতে হলে নিচের সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে হবে।

 

অ্যান্টিবায়োটিক কী

অ্যান্টিবায়োটিক হলো এক ধরণের ওষুধ যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে বা তাদের পুনরুৎপাদন ও ছড়াতে বাধা দেয়।

 

আবিস্কারকঃ

স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৭ সালে তিনিই প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।

 

অ্যান্টিবায়োটিক এর প্রভাবে কী শরীরের অঙ্গ হানী হয়?

শীত এলেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এই সুযোগে জীবাণুর আক্রমণ শুরু হয়। এ সময় বিভিন্ন প্রকার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষ করে অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভুগতে শুরু করে। দীর্ঘ দিন সর্দি-কাশিতে ভুগলে বেশির ভাগ সময় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেতে হয়। অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ছাড়া সহজে রোগ থেকে ভাল হয় না।

অনেক সাধারন মানুষ বলে , অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গ এর জন্য খারাপ

আসলেই কী তাই? অ্যান্টিবায়োটিক এমন এক ধরনের ওষুধ যা বিভিন্ন জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ে থাকে।

এন্টিবায়োটিক শরীরে কীভাবে কাজ করে সেই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কী বলে থাকেন , সেটা জানা যাক।

 ‘‘অ্যান্টিবায়োটিক হচ্ছে একটি ওষুধ। যেটা শরীরে ঢুকানোর পর শরীরের ভেতরে থাকা জীবাণু মেরে ফেলে।“- ডা. সারোয়ার জাহান সিনি: কানসালটেন্ট, এভারকেয়ার হসপিটাল, ঢাকা

 

প্রশ্ন, এই জীবাণু মেরে ফেলার প্রক্রিয়া কী?                                                                         

 কায়দাটা হচ্ছে জীবাণুর যে দেয়ালটা আছে সেটা নষ্ট করে দেওয়া। অথবা জীবাণুর ভেতরে যে প্রোটিন আছে সেই প্রোটিনকে নষ্ট করে দেওয়া। অ্যান্টিবায়োটিক দেয়াল বা প্রোটিন নষ্ট করার মাধ্যকে দেয়ালকে দুর্বল করে ফেলে। একটি অ্যান্টিবায়োটিক কাজ শেষ করার পরে কিডনী অথবা লিভার দিয়ে বের হয়ে যায়।’’ 

ডা. সারোয়ার জাহান আরও বলেন, ‘‘যে ঔষধ আমরা দিনে ২ বার বা ১ বার ব্যাবহার করি। সেটা একটা নির্দিষ্ট পর আর ওই ওষুধ থাকে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের কোনো অঙ্গকে নষ্ট করে না।

 

আরও একজন চিকিৎসক বলেন, ‘‘ অনেকে হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক বলতে দামি অ্যান্টিবায়োটিক কেই বুঝে থাকেন কিন্তু রোগ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ভিন্ন হয়ে থাকে।যে রোগএ যে অ্যান্টিবায়োটিক দরকার সেটাই দিতে হবে

 

অ্যান্টিবায়োটিকের কিছু নিয়ম আছে:

·         সমস্যার ধরন বুঝে পাঁচ দিন, সাত দিন, ১০ দিন, বারো দিন, সর্বোচ্চ ১৪ দিন বা দুই সপ্তাহ অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়।

 

এন্টিবায়োটিক কি দ্বারা উৎপাদিতঃ

·         অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত মাটির অণুজীব দ্বারা উৎপাদিত হয়।

 

অ্যান্টিবায়োটিক কত প্রকার:

·         অ্যান্টিবায়োটিকের বিভিন্ন ধরণ রয়েছে, তবে তাদের বেশিরভাগকে 6টি গ্রুপে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে।

·         Chloramphenicol, Fusidic acid, Nitrofurantoin, এবং Trimethoprim হলো অ্যান্টিবায়োটিকের কিছু উদাহরণ।

·         Carbapenem, Imipenem, এবং Meropenem হলো অ্যান্টিবায়োটিকের সবচেয়ে শক্তিশালী ধরণ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ